মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মহিষখোচা ইউনিয়নের ইতিহাস

 

মহিষখোচা ইউনিয়ন পরিষদের পূর্ব ইতিহাস

 

মানবা জাতির ছেলে-মেয়েদের নামকরণ ও সংরক্ষণের মত স্থানের নামকরণের কাজটি ও সৃষ্টির আদিকাল থেকেই চলমান রয়েছে । নাম করণের কাজ সভ্যতার- সংস্কৃতির একটি বহমান গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।

পাক-ভারত উপমহাদেশ তৎকালীন আমলে শশাঙ্ক সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল। তখন থেকে এই এলাকা ধনে-মালে সম্পদে ভরপুর ছিল। ব্যবসা-বাণিজ্য নদী ও স্থল পথে পরিচালিত হত। সুলতানী আমলে হোসেন শাহী আমলে “বাঙালা”নামে এই এলাকা সুপরিচিত ছিল। বৃটিশদের সময় আজকের পর্ব ও পশ্চিম বাংলা মিলে শুধু বাংলা নামে পরিচিত ছিল। তখন থেকে অত্র এলাকা অঞ্চল প্রশাসনিক সুবিধার জন্য জমিদার বা সামন্ত শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে। সেই সময় আমাদের বর্তমান আমাদের রঙপুর অঞ্চল জলপাই গুড়ি জেলার অধীনে ছিল ।যাহা কুচ বিহার রাজার অধীনে ছিল। কাকিনার রাজা ঐ কুচ বিহার রাজার অধীনস্থ ছিল। আমাদের আলোচ্য মহিষখোচা মৌজা হিসাবে পরিচিত ছিল।  মৌজার খাজনা আদায়ের জন্য তহশীল অফিস স্থাপিত হয়। তহশীল অফিসকে কেন্দ্র করে একটি হাটের ব্যবস্থা করা হয়।এই হাটের পশ্চিম পাশে নম শুদ্রীয় গোত্রের কিছু লোক বাস করতেন । সেই সুবাধে এই হাটটির কোচটারি হাট নামে পরিচিতি লাভ করে । পরবর্তীকালে উচ্চারণের ভিন্নতায় কুচটারির হাট বা কুষ্টটারির হাট নামে অধিক পরিচিত । এখন হাট-বাজার ইজারার সময় কুচ টারির ইজরা পত্রে লেখা হয়।

মুঘল আমলে হতে বৃটিশ রাজত্ব কালে ব্যবসা বাণিজ্যের খাতিরে আসাম হতে বললমপুর কুচবিহার লালমনিরহাট হারাগাছ হতে  

রংপুর হয়ে  দিনাজপুরের ঘোরাঘাট  শেষে ভারত পর্যন্ত একটি শাইবাণ সড়ক নির্মিত হয়।এই সড়ক পথে গরু মহিষ শালকাঠ

অন্যান্য দ্রব্যাদির ব্যবসা চলত । এখনও অনেক প্রবীন লোকের কাছে কিছছা কাহিণী শুনা যায়। অত্র মহিষখোচা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাশে তিস্তা নদী অবস্থিত । ১৩৩৬সালের পূর্বে মহিষখোচা হাটের দক্ষিণ ডুমড়ী কুরায় দোলায় খেয়াঘাট ছিল । এখন তিস্তা নদী দোলা হিসাবে পরিচিত। এই এলাকায় আসাম হতে ব্যবসায়ীরা গরু ,মহিষ নিয়ে এখানে বিশ্রাম নিত এবং এই খেয়াঘাট দিয়ে পারপার হত । এই মহিষগুলো পািদয়ে খচাখচি করত। অনেক সময় আবাদি জমির ফসল মহিষ দিয়ে খচা বা মাড়াই হত  । এইভাবে    এই অঞ্চলটির নাম মহিষখচা পরবর্তী উচ্চারণের ভিন্নতায় মহিষখোচা বা মহিষখচা নামে অধিক পরিচিত ।

আবার অনেকে বলেন এই কুচ টারির হাটের পশ্চিম পাশে কোন এক লোকের নাম ছিল মহেশ, বাশের খচা,ডালি কুলা গৃহিণীদের ব্যবহারিক জিনিস পত্র তৈরী করত।বিশেষ করে


Share with :

Facebook Twitter